Bangla JockesThis is a featured page

তা তোমার বাবা কী করেন?
-ফার্নিচার বিক্রি করেন?
-বাহ্‌, খুব ভালো। তা বিক্রি-টিক্রি হয়?
-হয় না মানে! ঘরের খাট ছাড়া সব বিক্রি হয়ে গেছে!





চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান: (ভূল বুঝতে পেরে) প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব।





শিক্ষক : আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বল তো?
ছাত্র : বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি।
শিক্ষক : বেয়াদব! বাড়ি কোথায়?
ছাত্র : এটাও হতে পারে, স্যার।





১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার ‘পা’ ছিল!








খদ্দের : (রেগে গিয়ে) বেয়ারা, আমার চায়ে মাছি কেন?
বেয়ারা : তাহলে এবার বুঝুন স্যার, মাছিটা পর্যন্ত টের পেয়ে গেছে আমার চা কতটা ফাস্টকাস।





মালিক : আচ্ছা, দোকানে যে পচা ঘি ছিল সেটা কে কিনেছে?
কর্মচারী : সফিক সাহেব।
মালিক : পচা আটা, পচা ডিম আর মেয়াদোত্তীর্ণ নকল সেমাই?
কর্মচারী : সেগুলিও সফিক সাহেবই নিয়েছেন।
মালিক : এ্যাঁ!!
কর্মচারী : কেন! কী হয়েছে?
মালিক : তুই করেছিস কী? আরে, আজ তো সফিক সাহেবের বাসাতেই আমার দাওয়াত!!






বাবা : কিরে, আমি যে তোর অংকের হোমওয়ার্কগুলো করে দিয়েছিলাম, সেটা স্যারকে দেখানোর পর তিনি কী বললেন?
ছেলে : স্যার বললেন, ‘তোর বাবার অংকের ভুলের জন্য তো আর তোকে শাসিত্ম দিতে পারি না!’




১ম বন্ধু : কিরে! এই সামান্য আঘাতেই একদম কাহিল! গত দুই সপ্তাহ ধরে একবারও ঘরের বাইরে যাচ্ছিস না যে!
২য় বন্ধু : ব্যথা সেরে গেছে ঠিকই, কিন' ঘরের বাইরে না যাওয়ার কারণ অন্য।
১ম বন্ধু : কারণটা কী?
২য় বন্ধু : না, মানে, যে ট্রাকটা আমাকে ধাক্কা দিয়েছিল সেটার গায়ে লেখা ছিল ‘আবার দেখা হবে’!





কবুতর বিক্রেতা : ভাইজান, এই কবুতরগুলো কিনুন! খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : কী করে বুঝলে যে প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবার এগুলো বিক্রি করেছি ততবারই আমার কাছে ফিরে এসেছে।





এক বৃষ্টির দিনে মালিক তার কাজের লোককে বলছে-
মালিক : রহিম, বাগানে পানি দিতে যা।
কাজের লোক : হুজুর আজকে তো বৃষ্টি হচ্ছে।
মালিক : বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যা! শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি আর মাংস খেতে খেতে..
ভদ্রলোক: বাহ, এই মাঝ রাতেও তোমাদের রুটি দেখি বেশ গরম।
ওয়েটার: হবে না স্যার, বিড়ালটাতো রুটিটার উপরেই বসা ছিল।


স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!

সংগ্রহে: শরিফুল আরিফ।


শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই...


চাকর: স্যার, আপনি রাত জেগে কি করেন?
সাহিত্যিক: গল্প-উপন্যাস লিখি।
চাকর: এত কষ্ট করে রাতজেগে লেখার দরকার কি? কয়টা টাকা খরচ করলেইতো বাজার থেকে ওগুলো কিনতে পাওয়া যায়।


দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-
প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো।


বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।


একটি দোকানের সাইনবোর্ডে লেখা : "শুধু শুধু অন্য দোকানে গিয়ে ঠকবেন কেন? এখানে আসুন।"


এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন । তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন।

ডাক্তার : ব্যপার কী, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?
রোগী : সাধে কী আর পালাচ্ছি?
ডাক্তার : ঘটনাটা খুলেই বলুন না।
রোগী : নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।
ডাক্তার : নার্স তো ঠিকই বলেছেন।
রোগী : তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।


- বোকার মতো কথা বলো না।
- সেকি! তা না হলে তুমি বুঝবে কি করে?


প্রশ্নঃ কাউকে এড়িয়ে চলার সহজ উপায় কি?
উত্তরঃ টাকা ধার দেয়া। শিক্ষক : বাঙ্গালী জাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
ছাত্র : বাঙ্গালী একাই একশ হয়, কিন্তু একশ বাঙ্গালী কখনই এক হতে পারে না।


রেস্তোরায় ওয়েটারকে এক ভদ্রলোক বললেন- "গত সপ্তাহে আমি এখানে মাটন কাটলেট খেয়েছিলাম। আজও খাচ্ছি। কিন্তু সেদিনেরটা অনেক ভালো ছিল।"
ওয়েটার: কেন স্যার? দুটি কাটলেটইতো একই দিনে বানানো।


শিক্ষক : গরু ঘাস খাচ্ছে এমন একটা ছবি আঁকো।
কিছুক্ষণ পর-
ছাত্র : স্যার আমার আঁকা শেষ।
শিক্ষক : (ধমক দিয়ে) আমি আঁকতে বলেছি গরু ঘাস খায় আর তুমি শুধু গরু এঁকেছ কেন?
ছাত্র : গরু সব ঘাস খেয়ে ফেলেছে স্যার।


বাড়ীর কর্তা(নতুন কাজের লোক কে): ঠিক আছে তুমি আজ থেকে কাজে লেগে যাও। প্রতিদিন ২০ টাকা করে পাবে । চার মাস পর থেকে ৪০ টাকা করে পাবে।
কাজের লোক: আমি তাহলে চার মাস পরেই আসবো।


তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ননা করছে।
প্রথম বন্ধুঃ জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।
তৃতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উই‌ল করে দিয়ে গেছিস।


স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো।
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?



স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।
স্বামীঃ হ্যা, এজন্যই এর নাম স্বর্গ।


এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস-ায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আসেত্ম হাঁটেঃ!


এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে, নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : (শুয়ে শুয়ে) দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।


মাতাল : কিরে, তোর আব্বা কই?
ভাতিজা : আব্বাকে কী দরকার?
মাতাল : এই তালগাছটা চাইতে এলাম। এটা দিয়ে একটা হাতের লাঠি বানাতাম।
ভাতিজা : এই গাছটা আব্বা মেছওয়াক করার জন্য রেখে দিয়েছে। পুত্র : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির মোটকা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা : তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন।



জ্যোতিষী : আপনি নিশ্চিত ১০০ বছর বাঁচবেন।
ভদ্রলোক : যদি এর আগে মরে যাই?
জ্যোতিষী : তাহলে মূল্য ফেরত নিয়ে আমায় জুতোপেটা করবেন!


ছেলে : আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবা : কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলে : তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় আমাকেই পড়া জিজ্ঞেস করে।


শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন?
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন' আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না।


মাতাল : (টলতে টলতে এক ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে) এ্যাঁই, আমাকে একটা ট্যাক্সি ডেকে দাও।
ভদ্রলোক : আমি দারোয়ান নই। একজন পাইলট!
মাতাল : বেশ, তবে একটা প্ল্লেনই ডেকে দাও!


বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক : তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা : উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক : বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা : আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।


স্ত্রী : বল তো, ‘আমি সুন্দরী’ এটা কোন কাল?
স্বামী : অতীত কাল!


স্ত্রী : কী ব্যাপার! বাজার থেকে পেঁয়াজ আননি কেন, দাম বেশি বলে পেঁয়াজ আনবে না?
স্বামী : না, ঠিক তা নয়।
স্ত্রী : তাহলে?
স্বামী : পেঁয়াজ কাটতে বসে তুমি প্রতিদিন চোখের জল ফেলবে, দৃশ্যটা আমি সহ্য করতে পারি না।


ছোট বোন : আচ্ছা আপু আমি কি খুব সুন্দরী?
বড় বোন : কেন?
ছোট বোন : সাজলে নাকি আমাকে খুব সুইট লাগে।
বড় বোন : এই মিথ্যা কথা তোকে কে বলেছে?
ছোট বোন : দুলাভাই তো বলল আমি নাকি তার চোখে বিশ্বসুন্দরী।


১ম জন : আপনার ভাগ্য ভালো যে, অ্যাকসিডেন্টটা একজন ডাক্তারের চেম্বারের সামনেই হয়েছে। চিকিৎসা তাড়াতাড়িই পাবেন, কিন' ডাক্তার সাহেবকে দেখছি না যে?
২য় জন : কী করে দেখবেন। এই চেম্বারের হতভাগা ডাক্তার তো আমিই।


hayetfahad
hayetfahad
Latest page update: made by hayetfahad , Mar 11 2008, 8:23 AM EDT (about this update About This Update hayetfahad Edited by hayetfahad

1333 words added

view changes

- complete history)
Keyword tags: None
More Info: links to this page
Started By Thread Subject Replies Last Post
shrabhkhan Better 1 Apr 26 2008, 6:52 AM EDT by apostolis_crew
Thread started: Apr 22 2008, 9:18 AM EDT  Watch
Bangla
2  out of 2 found this valuable. Do you?    
Keyword tags: None
Show Last Reply
Showing 1 of 1 threads for this page